বিবর্তন

বিবর্তন | তৌফিক ফেরদৌস চাতক 

বিবর্তন | তৌফিক ফেরদৌস চাতক প্লেট ছুড়ে ফেলে দিলেন হাশেম উদ্দিন। কয়েকদিন ধরেই এই সমস্যায় ভুগছেন তিনি। কোনো খাবার ভালো লাগে না। মাঝে মাঝে মনে হয় জিহ্বাটাই খারাপ হয়ে গেছে। বিদেশে গিয়ে বদলে আসলে কেমন হয়? এত দিনে এরকম প্রযুক্তি তৈরি হয়ে গেছে মনে হয়। কুদ্দুসকে কিছুক্ষণ বকে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে গেলেন হাশেম উদ্দিন। ব্যাটা কুদ্দুস আজকাল কী যে রান্না করে কিছুই ভালো লাগে না। তবে এই সমস্যা নিরুপমা মারা যাওয়ার পর থেকেই শুরু হয়েছে। নিরুপমা হাশেম উদ্দিনের প্রথম প্রেম। অবশ্য প্রেমটা শুরু হয় বিয়ের পরেই। দুমাস হলো ৭ দিন…

লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন:
পুরোটা পড়ুন

অচেনা বাঁকে

অচেনা বাঁকে | ফাহমিদা বারী

অচেনা বাঁকে এক. স্টেশনের চায়ের স্টলটাতে অনেকক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে আছে কলিমুদ্দীন। দোকানি সুরুজ আলীর সাথে খোশগল্প করতে করতে সুড়ুৎ সুড়ুৎ করে চা খাচ্ছিল সে। আহ্, ব্যাটা জব্বর চা বানায়। মন খালি আরও খাই আরও খাই করে। কাঁচের চ্যাপ্টা বয়ামের ভেতরে সাজানো বিস্কুটগুলোকে বড়ই লোভনীয় দেখাচ্ছিল। আলগোছেই দু’টা বিস্কুট হাপিস করার জন্য হাতটা বাড়িয়ে দিলো। সুরুজ আলীর সাথে কথোপকথনটাও চালু রেখেছে। ভাবখানা এমন যেন মনের ভুলেই হাতটা ঐদিকে চলে গিয়েছে, অন্য কিছু নয়। সুরুজ আলী খুব যত্নের সাথে হাতটা টেনে সরিয়ে দেয়। ‘কলিম ভাই, আইজগা চা খাইয়্যাই খুশি থাহো। তুমার আগের…

লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন:
পুরোটা পড়ুন

আত্মার নিরুদ্দেশ যাত্রা

আত্মার নিরুদ্দেশ যাত্রা _ আবুল হাসনাত বাঁধন

আত্মার নিরুদ্দেশ যাত্রা বৈশাখ মাসের মাঝামাঝি। দিনভর ঠা ঠা রোদ্দুর। অগ্নিতপ্ত দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়েছে মাত্র। পড়ন্ত বিকেলে রোদের তাপ অনেকটা কমে এসেছে। কর্ণফুলীর চির বহমান জলে চিকচিক করছে তীর্যক সূর্যের আলো। যেন আকাশ থেকে হীরক-বৃষ্টি ঝরে পড়ছে নদীর বুকে। কর্ণফুলীর বুকের উপর ঝুলে আছে সদ্য বানানো ‘শাহ আমানত সেতু’। ব্রিজের রেলিঙের উপর দাঁড়িয়ে আছে রিয়াদ। দূর থেকে লোকজন চিৎকার চেঁচামেচি করছে। কিন্তু সেগুলো রিয়াদের কানে পৌঁছাচ্ছে না। আস্তে আস্তে হাত দুটো দু পাশে প্রসারিত করে সে। আকাশে একটুও মেঘের দেখা নেই। তবুও আজ বাতাসগুলো কেমন যেন শীতল শীতল! রিয়াদের…

লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন:
পুরোটা পড়ুন

নিভৃত ভালোবাসা

নিভৃত ভালোবাসা | সালসাবিলা নকি | Golpiyan | গল্পীয়ান

নিভৃত ভালোবাসা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ছাত্রীর ক্রাশ শোভন স্যার। আসাদুল হক শোভন। লম্বা, সুদর্শন। অর্থনীতি বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ সিজিপিএ পেয়ে পাস করে মাত্র শিক্ষকতায় নিযুক্ত হয়েছেন। বিয়ে করেননি, এখনই তোড়জোড় করে বিয়ের কথা ভাবছেন না। তবে ভালো মেয়ে পেলে বিয়ে করবেন। যখন তিনি ক্লাসে লেকচার দেন ছাত্রীরা হাঁ করে চেয়ে থাকে। কয়েকটা মেয়ে চিঠি, ফুল দিয়ে প্রপোজও করেছে। তিনি এসবকে প্রশ্রয় দেন না মোটেও। সেই মেয়েগুলোকে সবার সামনেই বকে দিয়েছেন। তিনি যে পথ দিয়ে চলাচল করেন সেখানেই শুরু হয়ে যায় মেয়েদের ফিসফিস, কানাকানি, হাসাহাসি। শোভন এসব দেখতেন, শুনতে পেতেন তবে পাত্তা…

লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন:
পুরোটা পড়ুন