গল্পের গল্প

গল্পের গল্প | আবুল হাসনাত বাঁধন

গল্পের গল্প | আবুল হাসনাত বাঁধন এটা কোনো আস্ত বইয়ের রিভিউ নয়, শুধুমাত্র একটা ছোটোগল্পের ছোট্ট পাঠ-প্রতিক্রিয়া বলা যায়। ঠিক সুচারু কিংবা দক্ষ হাতে লেখা কোনো পাঠ প্রতিক্রিয়াও বলা যাবে না, আনাড়ি হাতের কিছু অতীত অনুভূতির গল্প বলাই শ্রেয়। তবুও লিখছি। কারণ,  ‘আমরা তিনজন‘ গল্পটার সাথে আমার অনেক অদ্ভুত আবেগ অনুভূতি জড়িত! গল্পটা প্রথম পড়ি ক্লাস নাইনে পড়ার সময়। আজ থেকে আট বছর আগে। তখন আমি স্কুলে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সদস্য ছিলাম। নিয়মিত বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বই পড়তাম! স্কুলের নিয়ম ছিল- একটা বই বাসায় নিয়ে গিয়ে এক সপ্তাহ রাখা যাবে পড়ার জন্য!…

লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন:
পুরোটা পড়ুন

প্রচলিত বানান বিভ্রাট

প্রচলিত বানান বিভ্রাট

প্রিয় পাঠক, গল্পীয়ান বানান ক্লাসের প্রথম কিস্তিতে আজ আমরা জানব কিছু প্রচলিত বানান বিভ্রাট সম্পর্কে। দেখতে কিংবা শুনতে অনেকটা একই রকম হওয়ায় অনেক বানান নিয়ে আমরা দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগি। দুটো বানান গুলিয়ে ফেলে একটার জায়গায় অন্যটা লিখি। আশা করি, এই লেখাটি পড়ার পর আপনাদের আর ভুল হবে না। চলুন তাহলে শুরু করা যাক। ভাবি / ভাবী / ভাবি ভাবি হলো কোনো কিছু ভাবা অর্থে প্রথম পুরুষের ক্রিয়ারূপ। যেমন: আমি ভাবি, আমরা ভাবি, এভাবে তো ভাবিনি। আবার বড়ো ভাইয়ের স্ত্রীকেও ভাবি বলা হয়। এক্ষেত্রে ভাবি হলো বিশেষ্যপদ। অন্যদিকে ভাবী অর্থ হলো ভবিষ্যৎ,…

লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন:
পুরোটা পড়ুন

আমরা তিনজন

আমরা তিনজন | বুদ্ধদেব বসু

আমরা তিনজন | বুদ্ধদেব বসু আমরা তিনজন একসঙ্গে তার প্রেমে পড়েছিলাম : আমি, অসিত আর হিতাংশু; ঢাকায় পুরানা পল্টনে, উনিশ-শো সাতাশে। সেই ঢাকা, সেই পুরানা পল্টন, সেই মেঘে-ঢাকা সকাল! এক পাড়ায় থাকতাম তিনজন। পুরানা পল্টনে প্রথম বাড়ি উঠেছিল তারা-কুটির, সেইটে হিতাংশুদের। বাপ তার পেনশন পাওয়া সাব-জজ, অনেক পয়সা জমিয়েছিলেন এবং মস্ত বাড়ি তুলেছিলেন একেবারে বড় রাস্তার মোড়ে। পাড়ার পয়লা নম্বর বাড়ি তারা-কুটির, দু-অর্থেই তাই, সবচেয়ে আগেকার এবং সবচেয়ে ভালো। ক্রমে ক্রমে আরো অনেক বাড়ি উঠে ঘাস আর লম্বা-লম্বা চোর-কাঁটা ছাওয়া মাঠ ভরে গেল, কিন্তু তারা-কুটিরের জুড়ি আর হলো না। আমরা…

লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন:
পুরোটা পড়ুন

একটি ইঞ্জিন ও হলুদ জামা

একটি ইঞ্জিন ও হলুদ জামা _ রাহুল চন্দ্র দাস

একটি ইঞ্জিন ও হলুদ জামা | রাহুল চন্দ্র দাস এক. বাজারের গলি-ঘুপচির মধ্যে বিশাল বিশৃঙ্খল ওয়ার্কশপ। তার এক কোনায় একটা পুরোনো ইঞ্জিন জবুথবু পড়ে থাকে। লোহা-লক্কড়ের স্তুপের মতো মুমূর্ষু পড়ে পড়ে ঝিমোয়। অলস ও ক্লান্ত দুপুরের আড্ডার সময় এর ওপর কেউ কেউ বসে থাকে। খাবার সময় হয়ে গেলে টেবিল বা খাট আশেপাশে খুঁজে না পেয়ে কেউ বা এরই বুকে-পিঠে বসে পড়ে। বিচিত্র ধাতব গন্ধের মাঝে ওয়ার্কশপের লোকজন, বিশেষত ছেলেটি বিচিত্র নাট-বল্টু নিয়ে বিচিত্রতর কাজ করে চলে। ওর নাম রাজন বা রবিউল বা অন্য কিছু হবে একটা। বাচ্চা বয়সের ছেলেটির এতসব…

লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন:
পুরোটা পড়ুন

একজন মানুষের খোঁজে

একজন মানুষের খোঁজে | তানভীর তূর্য

একজন মানুষের খোঁজে | তানভীর তূর্য আমার পাশের সিটে বসে থাকা লোকটা বেশ অনেকক্ষণ ধরে বিশ্রীভাবে নাক ডেকেই যাচ্ছে। এই বিশ্রী নাক ডাকার শব্দ আমার কান দিয়ে মগজে প্রবেশ করে মগজ ওলটপালট করে দিচ্ছে। মাথা খুলে মগজ বের করার কোনো সিস্টেম থাকলে দেখা যেত ওলটপালট হওয়ার কারণে মগজ ভুনা ভুনা হয়ে গেছে। আমার ছোটো বোন তিতলির গোরুর মগজ ভুনা খুবই পছন্দ। কোরবানির সময় অধিকাংশ মগজ ওর পেটেই যায়। আমি নিশ্চিত আমার ভুনা ভুনা হয়ে যাওয়া মগজ পেলেও তিতলি বলত, ‘অসাধারণ! তোর মগজ ভুনার এত স্বাদ আগে বলিসনি তো ভাইয়া।’ এমনিতেই…

লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন:
পুরোটা পড়ুন